কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬ এ ০১:০৯ PM

বইমেলা নিয়ে গতানুগতিকতার বাইরে আরও বৈচিত্র্যপূর্ণ, তথ্যভিত্তিক ও মানসম্পন্ন প্রতিবেদন তৈরির আহ্বান জানিয়ে পিআইবির কর্মশালা অনুষ্ঠিত।

কন্টেন্ট: খবর প্রকাশের তারিখ: ০৩-০৩-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ৩০-০৪-২০২৬

অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উপলক্ষ্যে বইমেলা ও প্রকাশনা শিল্প বিষয়ে প্রচারণামূলক লেখার বা টেলিভিশন প্রতিবেদন তৈরির পরিবর্তে বৈচিত্র্যপূর্ণ, তথ্যভিত্তিক, সমালোচনামূলক ও সৃজনশীল প্রতিবেদন তৈরির আহ্বান জানিয়ে আজ মঙ্গলবার প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)-তে শেষ হয়েছে দুই দিনব্যাপী এক কর্মশালা। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সার্টিফিকেট বিতরণের মধ্য দিয়ে "একুশের কর্মশালা: গণমাধ্যমে বইমেলা" শীর্ষক এ কর্মশালাটি সমাপ্ত হয়। সমাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কবি, লেখক ও অনুবাদক জাভেদ হুসেন এবং পিআইবির জ্যেষ্ঠ প্রশিক্ষক গোলাম মুর্শেদ। প্রতিবেদন তৈরিতে মেলার যে সার্বিক দিকটি রয়েছে, অর্থাৎ তার বিচিত্রতা এবং বহু মানুষের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অংশগ্রহণ, সেদিকে দৃষ্টি দেওয়ার আহ্বান জানান মহাপরিচালক। তিনি বলেন, বইমেলার এক এজমালি চরিত্র আছে, আর এটাই বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য। তিনি আরও বলেন, বাংলা একাডেমী আয়োজিত এই মেলাকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর প্রকাশনা শিল্পের ব্যাপক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গড়ে ওঠে, যা গণমাধ্যমে আরও বেশি বিশ্লেষণধর্মী ও অনুসন্ধানী কভারেজ দাবি করে। বইমেলা, প্রকাশনা শিল্প ও সাহিত্য সাংবাদিকতা বিষয়ক দুইদিনব্যাপী এ বিশেষ কর্মশালাটি ২ ও ৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে পিআইবির কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়। এ কর্মশালায় জাতীয় দৈনিক, অনলাইন সংবাদমাধ্যম এবং টেলিভিশন চ্যানেলের সাংবাদিক ও ফিচার লেখকরা অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালার প্রথম দিন রিসোর্সপারসন হিসেবে ছিলেন পিআইবি মহাপরিচালক, সাংবাদিক ও লেখক ফারুক ওয়াসিফ, এবং লেখক ও সাহিত্য সমালোচক এমরান মাহফুজ। দ্বিতীয় দিন রিসোর্সপারসন ছিলেন সাংবাদিক ও লেখক আশীষ-উর-রহমান এবং কবি, অনুবাদক ও সাহিত্যিক জাভেদ হুসেন। সমাপন অনুষ্ঠানে কর্মশালার সমন্বয়কারী গোলাম মুর্শেদ বলেন, কর্মশালাটি আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল বইমেলা, বই বাজার, প্রকাশনা ব্যবসা, মুদ্রণ শিল্প, বই পর্যালোচনা এবং লেখক-প্রকাশকের সাক্ষাৎকার গ্রহণে পেশাদার সাংবাদিকতার মান উন্নয়ন করা। তিনি বলেন, বইমেলা শুধু একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়; এটি ভাষা আন্দোলনের চেতনা, জাতীয় পরিচয় ও সৃজনশীল শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। গোলাম মুর্শেদ আশা প্রকাশ করেন যে, এ প্রশিক্ষণের ফলে বইমেলা ও প্রকাশনা শিল্প নিয়ে আরও গভীর, দায়িত্বশীল ও মানসম্মত সাংবাদিকতা চর্চা বৃদ্ধি পাবে এবং পাঠকসমাজ বই ও সাহিত্য সম্পর্কে আরও সমৃদ্ধ ও প্রাসঙ্গিক তথ্য পাবে। দুই দিনের কর্মশালায় আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল: অমর একুশে বইমেলার ইতিহাস ও সামাজিক তাৎপর্য, বাংলাদেশের প্রকাশনা শিল্পের কাঠামো ও অর্থনীতি, বইমেলা কভারেজে নতুন প্রতিবেদন ধারণা, পেশাদার বই পর্যালোচনা লেখার কৌশল লেখক ও প্রকাশকের সাক্ষাৎকার গ্রহণের দক্ষতা, সাহিত্য সাংবাদিকতার নৈতিকতা, এবং ডিজিটাল যুগে বই ও সাহিত সাংবাদিকতার ভবিষ্যৎ।

ফাইল ১
ফাইল ২
ফাইল ৩
ফাইল ৪
ফাইল ৫
ফাইল ৬

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন